ইউনিকোড ভিত্তিক লিখন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ইন্টারনেটে বাংলার ব্যবহার প্রচলন অনেক বেড়েছে। লিখতে-পড়তে অনেক সময় বানান বা অর্থের নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় জাগে। প্রয়োজন পড়ে অভিধান বা ডিকশনারির। হাতের নাগালে অভিধান না থাকায় বা অভিধান ঘাটতে গিয়ে অনেক সময় লেখার বা পড়ার মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়। আবার অভিধানের আকার বড় হবার ভয়ে প্রকাশকগন অনেক শব্দের অর্থ সংকুচিত এমনকি শব্দ বর্জন পর্যন্ত করে থাকেন বলে অনেক শব্দ অভিধানে পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। সময়ের সাথে চলতে গিয়ে এরকম অনেক সমস্যা চলার পথকে সংকীর্ণ করে তোলে। আর এরকম সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা নিয়েই এভারগ্রীন বাংলার বাংলা আভিধানের যাত্রা শুরু। এভারগ্রীন বাংলা অভিধান কোনো মৌলিক অভিধান নয়। বিভিন্ন উত্স থেকে সাহায্য নিয়েই এই সংকলন। তবুও এর বৈশিষ্ট হলো এর ব্যাপকতা, প্রতিটি শব্দ নিয়ে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্যের সন্নিবেশ।
অভিধানে বর্ণানুক্রমানুসারে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় শব্দটি খুঁজে বের করা যায়। সাথে থাকছে ইউনিকোড ভিত্তিক ‘সার্চ’-এর ব্যবস্থা। জানা যাবে নির্দিষ্ট বর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের সংখ্যা। ইচ্ছে করলে ‘রেটিং’-এর মাধ্যমে জানা যাবে প্রিয় শব্দগুচ্ছের তালিকা। করা যাবে শব্দ নিয়ে মন্তব্য। মন্তব্য করার ব্যবস্থায় শব্দ নিয়ে খেলা করার সুবিধা–বাক্যরচনা, ছড়া, প্রিয় গানের চরন, কবিতার লাইন, নিজের অনুভুতি, স্মৃতিকথা, নিজের কাছে নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ সহ নতুন নতুন ‘আইডিয়া’ যা এই বাংলা ভাষার ব্যবহারের গন্ডীকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।
